ছেলেদের ব্রন কেন হয় ,বাঁচার সহজ উপায় !

ছেলেদের ব্রন কেন হয় ,বাঁচার সহজ উপায় !
                                     
 ছেলেদের ব্রন কেন হয় ,বাঁচার সহজ উপায় !

মেয়েদের মতো ছেলেরাও ত্বকের যে সমস্যাটিতে বেশি ভুগে থাকেন তা হলো ব্রণ। নানা কারণেই ব্রণ হতে পারে। তরুণদের মধ্যে ব্রণের সমস্যা বেশি দেখা যায়। ব্রণ থেকে বাঁচার জন্য নানাজন নানাভাবে চেষ্টা করেন। চলুন জেনে নেয়া যাক, ব্রণের সমস্যা এড়াতে ছেলেরা কী করবেন-

ব্রণ কেন হয়–
বিভিন্ন কারণে ব্রণ হতে পারে। এর মধ্যে আছে :

*    হরমনের পরিবর্তন
*    ত্বকে ধুলোময়লা জমে থাকা
*    বংশগত কারণ
*    ত্বকে ভিটামিনের অভাব
*    কোষ্ঠকাঠিন্য



ব্রণ থেকে বাঁচা–
আসুন জেনে নিই সহজ কিছু নিয়ম, যা মেনে চললে খুব সহজেই ব্রণ আপনার কাছ থেকে দূরে থাকবে :

*    সাধারণত তৈলাক্ত ত্বকেই ব্রণের সংক্রমণ বেশি হয়। তাই সবসময় মুখ পরিষ্কার রাখুন।
*    বাইরে থেকে ঘরে ফিরে ঠা-া পানির ঝাপটা দিন।
*     দিনে কমপে দু বার গোসল করুন।
*     প্রতিদিন অন্তত তিন-চার বার মুখ ধোয়ার অভ্যাস করুন। ব্রণের উৎপাত অনেকটা কমে যাবে।
*    মুখে সাবান ব্যবহার না করে ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন
*    ত্বকে নিয়মিত ময়দা, দুধ ও মধুর পেস্ট লাগান, ব্রণের দাগ চলে যাবে এবং ত্বক উজ্বল হবে।
*    মুখে ব্রণ দেখা দিলে তা নখ দিয়ে খোঁটাখুঁটি করা একদম ঠিক না। এতে ত্বকে ব্রণের দাগ স্থায়ী হয়ে যাবে ।



ত্বক সুন্দর রাখতে খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে সচেতন থাকাও জরুরি। নিচের পরামর্শগুলো আপনার কাজে লাগবে :

*    তৈলাক্ত খাবার, ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন।
*    বেশি করে শাকসবজি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।
*    পেট পরিষ্কার রাখা খুবই জরুরি। অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে ত্বকে ব্রণ দেখা দেয়।
*     নিয়মিত সবুজ শাকসবজি আর টাটকা ফলমূল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে প্রতিকার পাওয়া যায়।
*    সব থেকে প্রচুর পানি খেতে হবে।

ঠোঁটের উপর কালো দাগ কিভাবে দূর করবেন?

ঠোঁটের উপর কালো দাগ কিভাবে দূর করবেন?

ঠোঁটের উপর কালো দাগ কিভাবে দূর করবেন?

পরিপাটি সাজের পরেও ঠোঁটের উপর মোচের আভাস থেকে গেলে পুরো সাজটাই বারোটা। দেখতেও বাজে দেখায় এই লোম গুলো। অনেকের তো এই লোম খুব বেশি উঠে কালো ও বিশ্রি দেখায়।

দিল্লির রূপবর্ধক চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ড. মেঘনা গুপ্তা সম্প্রতি ভারতীয় একটি লাইফস্টাইল ম্যাগাজিনে জানিয়েছেন ঠোঁটের উপরের কালো দাগের কারণ ও এর থেকে পরিত্রাণের উপায়।

কারণ:

ঠোঁটের উপরে কালো দাগের প্রথম এবং প্রধান কারণ হচ্ছে ঠোঁটের পাতলা লোমের স্তর। যে কারণে ঠোঁটের উপরের অংশকে চেহারার অন্য অংশের থেকে কালো দেখায়। তবে অনেকের ক্ষেত্রে এই গোঁফের মতো পাতলা লোমের স্তর ফেলে দিলেও দাগ দূর হয় না।

ড. মেঘনা গুপ্তা বলেন, “এর কারণ হতে পারে হরমোনের প্রভাব। বয়ঃসন্ধিতে এবং গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের সময় ঠোঁটের উপরে কালো দাগ পড়তে পারে।” এ ছাড়াও, ভিটামিন-ই এবং আয়রনের অভাবে কালো ছোপ পড়ে। কেউ যদি জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ব্যবহার করেন বা অন্যান্য ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতেও এমনটা হতে পারে।

আলকাতরার উপাদান আছে এমন উপকরণে সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহারে দাগ পড়াও বিরল নয়। এ ছাড়াও ত্বকের মেলালিন ঘটিত রোগ মেলানোসিস এবং সূর্যের আলোতে বেশি সময় কাটালে ঠোঁটের উপর কালো ছোপ পড়তে পারে বলে জানিয়েছেন ড. গুপ্তা।

যদিও ঠোঁটের উপরের লোম ফেলে দিলে কালো ভাবটা দূর হয় তবে বার বার ঠোঁটের উপরের লোম উপরে ফেলতে থাকলে স্থায়ীভাবে কালো দাগ পড়ে যায়।

পরিত্রাণের উপায়

১। কী খাচ্ছেন সেই বিষয়ে লক্ষ রাখুন। একজন মানুষের শরীরে প্রতিদিন ৭২ ধরনের ভিটামিন ও মিনারেলের প্রয়োজন হয়। এসব পুষ্টি উপাদান প্রতিদিনের খাবারে নিশ্চিত করতে নানান ধরনের ফল ও সবজি প্রতিদিন খেতে হবে জানিয়েছে মুম্বাইয়ের রেজিস্টার্ড পুষ্টিবিদ ড. স্মিতা নন্দা।

তার মতে, “প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। ফল চিবিয়ে খেতে হবে। তবে এর রস পান করা যাবে না। পাশাপাশি প্রতিদিন যেন প্রচুর পরিমাণে সবজি খাওয়া হয় সেই বিষয়েও যত্নশীল হতে হবে। যে সব খাবারে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড রয়েছে যেমন: ঘানিতে ভাঙা তেল, তোকমা দানা, আখরোট ইত্যাদি আপনাকে উপকৃত করতে পারে।

২। এই দাগ একটা সতর্ককারী সংকেত হতে পারে যে, আপনার দেহে হয়ত কিছু একটা ঠিক নেই। তাই একটি স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন আপনাকে অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। চেষ্টা করতে হবে এমন সব ওষুধ সেবন করতে যেগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই অথবা তুলনামূলক কম।

কিছু খাবার আছে যেগুলো আপনার ক্ষতি করবে কিন্তু সেগুলোর লোভ সামলানো খুবই কষ্টসাধ্য, এই খাবারগুলো কম করে খাওয়ার চেষ্টা করুন। চর্বিযুক্ত খাবার, বেশি পরিমাণে খাবার, ক্যাফেইনযুক্ত খাবার আপনার ধারণার থেকে বেশি ক্ষতি করে থাকে।

অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুমান, এই সাত ঘণ্টার বিষয়ে কোনো প্রকার আপোষ করবেন না। মনে রাখবেন, প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ শ্রেয়। তাই, নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করা, শরীরচর্চা করা, ধ্যান করা, গান শোনা, নিজেকে প্রশ্রয় দেওয়া, ম্যাসেজ করার মতো কাজগুলো করবেন। এতে মন প্রফুল্ল থাকে এবং কাজ করতে ভালো লাগে।

৩। আপনার ত্বকের নিয়মিত যত্ন নিন। ত্বকে এসপিএফ ফিফটি মানের সানস্ক্রিন মাখুন, শুধু গরমে নয় শীতকালেও। ঘর থেকে বের হওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন মাখুন। ঠোঁটের উপরের লোম ওয়াক্স করার বদলে সুতা দিয়ে তুলুন।

৪। রূপ-ত্বক বিশেষজ্ঞরা বলেন, ত্বকের রং হালকা করার ক্রিম, পিল অফ মাস্ক, ত্বকের উপরের ত্রুটিপূর্ণ দাগ তুলে ফেলার জন্য করা কসমেটিক চিকিৎসা, লেজার দিয়ে করা চিকিৎসার সাহায্যেও ঠোঁটের উপরের কালো দাগ দূর করা যায়।
ঠোঁটের উপর কালো দাগ কিভাবে দূর করবেন?
ঠোঁটের উপর কালো দাগ কিভাবে দূর করবেন?

ঘাড় সহ শরীরের অন্য অঙ্গের কালো দাগ উঠবে কিভাবে?

ঘাড় সহ শরীরের অন্য অঙ্গের কালো দাগ উঠবে কিভাবে?
 
অনেকের গায়ের রং ফর্সা হলেও ঠোটের রং কালচে। কিন্তু এ নিয়ে নিরাশ হওয়ার কিছু নেই। আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে প্রাকৃতিক কিছু উপায়। যা দিয়ে এই ঠোঁটের কালচে রংসহ আরও বেশ কিছু উপকার পাওয়া যাবে।  আসুন জেনে নেই টিপসগুলো –  – কয়েক ফোটা পাতি লেবুর রস, মধু ও ম্যাসাজ ক্রিম মিশিয়ে দিনে দু’বার করে ঠোটে ম্যাসাজ করলে মাস খানেকের মধ্যেই সুফল পাওয়া যাবে। তবে নিয়মিত ও নিষ্ঠার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে।  – অনেকের চোখের নিচে কালো দাগ দেখা যায়। তারা লেবুর রসে মধু মিশিয়ে ম্যাসাজ করলে চোখের নিচের কালো দাগ দূর হতে পারে।  – গলায় ও ঘাড়ের কালো দাগ তুলতে হলে: ৪টি বড় এলাচ, ৫/৬টি দারুচিনি, ১০/১২টি কিসমিস, ৪/৫টি চিনা বাদাম রাতভর ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরের দিন সবগুলো একসঙ্গে মিহি করে বেটে নিয়ে একটা কৌটা ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এই অবস্থায় ৭ দিন পর্যন্ত এটি অবিকৃত থাকবে।  প্রতিদিন একটু করে ওই বাটা বের করে বাড়িতে পাতা দই, মধু ও গুড়ো চিনি মিশিয়ে প্যাকের মতো মুখে, গলায় ও ঘাড়ে লাগান। ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। রোদে পুড়ে মলিন হওয়া চামড়া এবং স্বাভাবিক কালো ত্বকের পক্ষে এই প্যাকটি খুবই কার্যকর।  – অনেক সময় পিগমেন্টেশন (গায়ের স্বাভাবিক রং) প্রবলেমের জন্য গায়ের রং কালো হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে এক চামচ বেশন, এক চামচ পাকা আমের শাস, আধা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা। এক চামচ গাঁদা ফুলের পাঁপড়ি কাঁচা দুধ দিয়ে মিশিয়ে গোসলের আধা ঘণ্টা আগে লাগাতে হবে- এমন জায়গায়
ঘাড় সহ শরীরের অন্য অঙ্গের কালো দাগ উঠবে কিভাবে?

অনেকের গায়ের রং ফর্সা হলেও ঠোটের রং কালচে। কিন্তু এ নিয়ে নিরাশ হওয়ার কিছু নেই। আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে প্রাকৃতিক কিছু উপায়। যা দিয়ে এই ঠোঁটের কালচে রংসহ আরও বেশ কিছু উপকার পাওয়া যাবে।

আসুন জেনে নেই টিপসগুলো –

– কয়েক ফোটা পাতি লেবুর রস, মধু ও ম্যাসাজ ক্রিম মিশিয়ে দিনে দু’বার করে ঠোটে ম্যাসাজ করলে মাস খানেকের মধ্যেই সুফল পাওয়া যাবে। তবে নিয়মিত ও নিষ্ঠার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে।

– অনেকের চোখের নিচে কালো দাগ দেখা যায়। তারা লেবুর রসে মধু মিশিয়ে ম্যাসাজ করলে চোখের নিচের কালো দাগ দূর হতে পারে।

– গলায় ও ঘাড়ের কালো দাগ তুলতে হলে: ৪টি বড় এলাচ, ৫/৬টি দারুচিনি, ১০/১২টি কিসমিস, ৪/৫টি চিনা বাদাম রাতভর ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরের দিন সবগুলো একসঙ্গে মিহি করে বেটে নিয়ে একটা কৌটা ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এই অবস্থায় ৭ দিন পর্যন্ত এটি অবিকৃত থাকবে।

প্রতিদিন একটু করে ওই বাটা বের করে বাড়িতে পাতা দই, মধু ও গুড়ো চিনি মিশিয়ে প্যাকের মতো মুখে, গলায় ও ঘাড়ে লাগান। ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। রোদে পুড়ে মলিন হওয়া চামড়া এবং স্বাভাবিক কালো ত্বকের পক্ষে এই প্যাকটি খুবই কার্যকর।

– অনেক সময় পিগমেন্টেশন (গায়ের স্বাভাবিক রং) প্রবলেমের জন্য গায়ের রং কালো হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে এক চামচ বেশন, এক চামচ পাকা আমের শাস, আধা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা। এক চামচ গাঁদা ফুলের পাঁপড়ি কাঁচা দুধ দিয়ে মিশিয়ে গোসলের আধা ঘণ্টা আগে লাগাতে হবে- এমন জায়গায়